মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

এক নজরে জামালগঞ্জ উপজেলা

জামালগঞ্জ উপজেলার পটভূমি

জামালগঞ্জ-এর নামকরণঃ

জামালগঞ্জ-এর নামকরণে ভাটীপাড়ার বয়োবৃদ্ধ জমিদার মরহুম এখলাছুর রহমান চৌধুরীর মতামত প্রণিধানযোগ্য। ১৯৬৪ সালে জনাব এখলাছুর রহমান চৌধুরীর দেয় তথ্য থেকে জানা যায় যে, তাঁদের বংশের পূর্ব পুরুষগণের মধ্যে জামাল ফারুকী নামে একজন প্রসিদ্ধ ব্যক্তি ছিলেন। তাঁকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ভাটীপাড়া এস্টেট কর্তৃক নতুন ক্রয়কৃত দুটি তালুকের নামকরণ করা হয়  জামালগড় ও জামালপুর। অতঃপর সাচনা বাজারের সঙ্গে নদীর পশ্চিমপাড়ে প্রতিযোগিতামূলক একটি নতুন বাজার প্রতিষ্ঠিত হলে এর নামকরণ করা হয় জামালগঞ্জ। “জামাল”-আরবী শব্দ-এর অর্থ মনোরম বা সুন্দর এবং ‌“গঞ্জ”শব্দের অর্থ বাজার বা যেখানে ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। আবার “গঞ্জ”অর্থ শহরও বোঝায়। সে বিচারে জামালগঞ্জ হচ্ছে সুন্দর বা মনোরম শহর।

তথ্যসূত্রঃ জামালগঞ্জের ইতিহাস- গোলাম মর্ত্তুজা

 

জামালগঞ্জ উপজেলাঃ

১৮ ই এপ্রিল ১৯৮৩ খ্রি. তারিখে জামালগঞ্জ থানা হইতে উপজেলা হিসেবে উন্নীত হয়।

উত্তরে তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সদর দিরাই এবং ধর্মপাশা উপজেলার উত্তর, পূর্ব,দক্ষিণ এবং পশ্চিম কোনে এ উপজেলাটি অবস্থিত। এ উপজেলা মেঘালয় রাজ্যের পর্বত শ্রেণীর অতি সন্নিকটে যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মন্ডিত অনেক হাওড় ও বাওর রয়েছে।

 

উপজেলার ঐতিহ্যঃ

জামালগঞ্জ উপজেলা একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা । হাওড় বেষ্টিত উপজেলা এবং রয়েছে অনেক বিল বাদল । যা জাতীয় অর্থনীতিতে খাদ্য ও আমিষের যোগান দেয়। অনেক জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিত্বের জন্মস্থান । সাচনা বাজার বৃটিশ শাসনামল প্রসিদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।     

ভৌগলিক পরিচিতি

জামালগঞ্জ উপজেলার ভৌগলিক পরিচিতি:

 

আয়তনঃ

           ৩৩৮.৭৪ বর্গ কিঃমিঃ।

 

সীমানা: 

         জামালগঞ্জ উপজেলার উত্তরে তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা, দক্ষিণে খালিয়াজুরী ও দিরাই উপজেলা, পূর্বে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা এবং পশ্চিমে মোহনগঞ্জ ও ধর্মপাশা উপজেলা।      

 

 

 

 

 

 

এক নজরে জামালগঞ্জ উপজেলা

সাধারণ তথ্যঃ

০১। উপজেলার নাম ঃ জামালগঞ্জ।

০২। আয়তনঃ ৩৩৮.৭৪ বর্গ কিঃমিঃ।

০৩। থানাঃ ০১ (এক) টি।

০৪। ইউনিয়নঃ ০৫ (পাঁচ) টি((১নং বেহেলী, ২নং জামালগঞ্জ সদর,৩নং ফেনারবাঁক, ৪নং সাচনা বাজার ও ৫নং ভীমখালী)।

০৫। মৌজাঃ ৯৫ টি।

০৬। ইউনিয়ন ভূমিঅফিসঃ ০২ টি (সাচনা বাজার,ভীমখালী)।

০৭। মোট জনসংখ্যাঃ ১,৩৮৯৮৫ জন (পুরুষ-৭১,১০১ জন এবং মহিলা -৬৭২৮৪ জন)।

০৮। মোট ভোটার সংখ্যাঃ ৮৭,১৭৪ জন (পুরুষ-৪৩,৬৭২ এবং মহিলা-৪৩,৫৭৫ জন)।।

০৯।  গ্রাম-১৭৯ টি।

১০ । মোট পরিবারঃ ২২,৫৭৮ টি।

১১। খাদ্য গুদাম-০৭ (সাত) টি।

১২। মসজিদঃ ২৩৩ টি।

১৩। মন্দিরঃ ১৭ টি।

১৪ । আবাদযোগ্য মোট জমিঃ ২৩,৭৯৮ হেক্টর। (এক ফসলি ২১.০৫৩ হেক্টর ।

১৫। পুকুরঃ ২৬৫ টি (সরকারী-০৭ টি,বেসরকারী-২৫৮ টি), আয়তনঃ ৩৭.৮০ হেক্টর ।

১৬।  মোট জলমহালের সংখ্যাঃ ৯৯ টি।

১৭। পশু সম্পদ হাসপাতালঃ ০১ টি।

১৮। স্বাস্থ্য সংক্রামত্মঃউপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্স ০১ টি(৩১ শয্যা বিশিষ্ট),ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপেস্নক্স ০১ টি।

১৯। পরিবার পরিকল্পনা সংক্রামত্ম ঃ পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ০৩ টি,কমিউনিটি ক্লিনিক ১৬ টি, স্যাটেলাইট ক্লিনিক-২৮ টি।

২০। শিক্ষা সংক্রামত্মঃ মহাবিদ্যালয়-০১ টি,মাধ্যমিক বিদ্যালয়-০৮ টি,নিমণ মাধ্যমিক-০১ টি,মাদ্রাসা (আলিম)০৫ টি,মাদ্রাসা (দাখিল-০৫ টি) মাদ্রাসা এবতেদায়ী ০২ টি,সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-৬৩ টি বে-সরকারী রেজিষ্টার প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫৩টি, কিন্ডার গার্টেন-০১টি,কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়-০৮ টি।

২১। শিক্ষার হারঃ ২৯.৬৫%।

২২। ভূমি সংক্রামত্মঃ ভূমি অফিস ০১টি,ইউনিয়ন ভূমি অফিস ০২ টি,হাট বাজার ০৮ টি, কৃসি খাস জমি ৭৮৬.৭৬ একর।

২৩। যুব উন্নয়ন সংক্রামত্মঃ নিবন্ধনকৃত সমবায় সমিতিঃ ২২টি, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত যুবক/যুবতি ১৪০০ জন।

২৪। সমাজ সেবা সংক্রামত্মঃ মুক্তিযোদ্ধা সম্মানি ভাতা-১৬২ জন ,২০০০/- হারে,বয়স্ক ভাতা-২৮১৩ জন ভাতা ৩০০/- হারে, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা ৩০০/- হারে ৮০৫ জন

,প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রাথমিক সত্মরে পায় ৩০০/-হারে ১২ জন এবং মাধ্যমিক সত্মরে পায় ৪০০/- হারে ১৪ জন শিক্ষার্থী, এবং অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ৩০০/- হারে পায় ৩২২ জন। 

২৫। মহিলা বিষয়কঃ ,মাতৃত্ব ভাতা ১০০ জন, ভিজিডি  উপকার ভোগীর সংখ্যা  ১৬৬৩ জন।

২৬। সমবায় সংক্রামত্মঃ  মোট সমবায় সমিতি ৯২।

২৭। এল,জি,ই,ডি সংক্রামত্মঃ মোট রাসত্মা ২৩৯.৬১ টি (পাঁকা ৪৫ কিঃ মিঃ,কাঁচা১৯৪.৬১ কিঃ মিঃ)

২৮। জনস্বাস্থ্য সংক্রামত্মঃ ১০৮৫ টি,স্যানিটারী ল্যাট্রিন-১০,২৩১ টি, স্যানিটেশন-৬৩% বি,এস কেন্দ্র-০২ টি।

২৯। প্রকল্প বাসত্মবায়ন সংক্রামত্ম ঃ

৩০। ব্যাংক সংক্রামত্মঃ সরকারী ব্যাংক -০২ টি( সোনালী,কৃষি), বে-সরকারী ব্যাংক-০২ টি( পূবালী,গ্রামীণ)।

৩১। মুক্তিযোদ্ধা সংক্রামত্মঃ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ-০১ টি,মোট মুক্তিযোদ্ধা-১৯৯ জন,শহীদ মুক্তিযোদ্ধা-১১ জন।

৩২। অন্যান্যঃ ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিস-০৫ টি,সাব পোস্ট অফিস-০১টি,টেলিফোন এক্সচেঞ্জ-০১ টি।

 

জামালগঞ্জ উপজেলার আয়তন,পটভূমি ও সীমানাঃ

·        আয়তনঃ ৩৩৮.৭৪ বর্গ কিঃমিঃ।

·         মোট জনসংখ্যাঃ ১,৩৮,৯৮৫ জন,(পুরুষ-৭১,৭০১জন এবং মহিলা-৬৭,২৮৪ জন)।

·         সীমানা ঃ জামালগঞ্জ উপজেলা সুরমা নদীর পশ্চিম পার্শ্বে অবসিত্মত , উত্তরে তাহির পুর,দক্ষিণে দিরাই,পূর্বে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর এবং পশ্চিমে ধর্মপাশা উপজেলা ।

·         উপজেলার পটভূমি ঃ ১৮ ই এপ্রিল ১৯৮৩ খ্রি. তারিখে জামালগঞ্জ থানা হইতে উপজেলা হিসেবে উন্নীত হয়। উত্তরে তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সদর দিরাই এবং ধর্মপাশা উপজেলার উত্তর, পূর্ব,দক্ষিণ এবং পশ্চিম কোনে এ উপজেলাটি অবস্থিত। এ উপজেলা মেঘালয় রাজ্যের পর্বত শ্রেণীর অতি সন্নিকটে যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মন্ডিত অনেক হাওড় ও বাওর রয়েছে।

·         ইউনিয়ন সমূহঃ ০৫(পাঁচ) টি (১নং বেহেলী, ২নং জামালগঞ্জ সদর,৩নং ফেনারবাঁক,৪নং সাচনা বাজার ও ৫নং ভীমখালী)।

·         উপজেলার ঐতিহ্যঃ জামালগঞ্জ উপজেলা একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা । হাওড় বেষ্টিত উপজেলা এবং রয়েছে অনেক বিল বাদল । যা জাতীয় অর্থনীতিতে খাদ্য ও আমিষের যোগান দেয়। অনেক জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিত্বের জন্মস্থান । সাচনা বাজার বৃটিশ শাসনামল প্রসিদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।      

ভাষা সংস্কৃতিঃ উপজেলার ভাষা বাংলা ও রয়েছে বৈচিত্র সংস্কৃতিতে ভরপুর।

·         মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা (ইউনিয়ন ভিত্তিক)

·        দর্শনীয় স্থান ঃ জামালগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে অনেক ছোট বড় হাওড়,যার প্রাকৃতিক দৃশ্য বড়ই মনোরম।

         এর মধ্যে হালির হাওড় একটি দর্শনীয় উলেস্নখযোগ্য স্থান।

 প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বঃ

              প্রসুনকান্তিরায়ওরফেবরুণরায়:

                  ১৯২২ইং সনে  ১০ই নভেম্বর জামালগঞ্জ  উপজেলার  বেহেলী  গ্রাসে প্রসুন  কান্তি  রায়  জন্ম  গ্রহন করেন।  তিনিআগরতলার  কাছাকাছি  কুমিল্লা জেলার মুগড়া হাই  স্কুল থেকে ম্যাট্রিক  এবং  সুনামগঞ্জ কলেজ  থেকে আই, এ পাশ করেন। অত:পর সিলেট  এম. সি  কলেজে  বি.এ  ক্লাসে ভর্তি  হন।

          প্রসুনকান্তিরায়ছিলেনকরুনাসিন্ধু রায়ের সুযোগ্য পুত্র ও রাজনৈতিক উত্তরসূরী। ১৯৪৭ সালে তিনি ছাত্র ফেডারেশন সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালে রাজবন্দীদের মুক্তির দাবীতে সিলেট গোবিন্দ পার্কের এক বিরাট জনসভায় ভাষণ দিয়ে তিনি গ্রেপ্তার হন। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ১৯৫২ সালে তিনি কারাবরণ করেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর তিনি তাঁর পিতৃ প্রদর্শিত বাম আন্দোলনের কাস্তে ও হাতুরী মার্কা পতাকা কাদেঁ তুলে নেন। তৎকালীন পাক সরকার কর্তৃক কমিউনিষ্ট পার্টি নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে এ আদশবাদী যুবক দীঘ তেরটি বছর সরকারী হুলিয়া মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়ান নওমৌজা খাগাউড়া সহ প্রত্যন্ত গ্রাম গ্রামান্তরের আনাচে কানাচে ।

১৯৫৪ সনে পাকিস্তানের পৃথক নির্বাচেন কাঠামোতে যুক্ত ফ্রন্টের প্রাথী হয়ে তিনি প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এম.পি.এ) নির্বাচিত হন। পাক আমলে কমরেড বরুনরায় বিরোধী আন্দোলনের প্রতিটি মুহুতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠন সহ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও অধ্যাবসায়ের সঙ্গে বালাট ও মৈলাম সেক্টরে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ ইং সনে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নিবাচনে অংশ গ্রহন করে তিনি পরাজিত হন। ১৯৮৬ ইং সনে দ্বিতীয়বার তিনি একই নির্বাচনী এলাকা থেকে কমিউনিষ্ট পার্টির টিকেটে ঐক্যজোট প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য নিবাচিত হন।

জামালগঞ্জ তথা সুনামগঞ্জ জেলার ভার্টী এলাকায় ভাসান পানি আন্দোলনের প্রবক্তা কমরেড বরুনরায়। তাঁর ভাবাদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে ভাসান পানি আন্দোলনের সক্রিয ভূমিকা পালন করছেন। তৎকালীন কমরেড নজির হোসেন, কমরেড অজিত লাল রায়, রথীন্দ্রকুমার তালুকদার ও নিবরশ তালুকদার প্রমুখ। প্রকৃতি প্রদত্ত মাছের ভান্ডার হচ্ছে ভাটী সুনামগঞ্জের বিল-বাদল, হাওর-বাওড় আর নদী-নালা। অথচ লোভী ইজারাদারগনের সীমাহীন লালসা চরিতার্থের জন্য সাধারণ মানুষ তাদের আঙ্গিনার ক্ষুদ্র চুনুপুটি হতেও আজ বঞ্চিত। গরীব দু:খী ও খেটে খাওয়া মানুষের মাছাচ্ছাদিত মুখের গ্রাস কেড়ে নেবার বিরুদ্ধেই ছিল বরুন রায়ের ভাসান পানি আন্দোলন।

 

অবদানঃ উপজেলার উন্নয়নে অনেক অবদান রয়েছে। তন্মধ্যে রেজিষ্টার প্রাথমিক বিদ্যালয় নিজ উদ্যোগে স্থাপন,মসজিদ মাদ্রাসা,খেলাধুলার উন্নয়নে যার রয়েছে বিশেষ অবদান।

 

·        খেলাধূলা ও বিনোদনঃ এ উপজেলায় বিভিন্ন ধরণের জাতীয় ও আঞ্চলিক খেলাধুলা অনুষ্টিত হয়ঃ ফুটবল,ক্রিকেট,ব্যাডমিন্টন,হা-ডু-ডু নৌকা বাইচ,ষাড়ের লড়াই দারিয়া বান্দা ইত্যাদি।

·        নদ-নদীঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম নদী সুরমা এ উপজেলার মধ্য দিয়ে বহে গেছে,এর রয়েছে অসংখ্য শাখা প্রশাখা-পিয়াইন নদী,রক্তিম নদী,বৌলাই নদী ইত্যাদি।

 

·        ব্যবসা বাণিজ্যঃ ব্যবসা বাণিজ্যের এক উলেস্নখযোগ্য স্থান সাচনা জামালগঞ্জ উপজেলা । অত্র উপজেলায় বৃটিশআমল হতে সাচনা বাজার ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য প্রসিদ্ধ । এখানে পাইকারী ও খুচরা নানা ধরণের পণ্য ক্রয় বিক্রয় হয়ে থাকে। এ ছাড়া ও রয়েছে ছোট বড়   অনেক হাট বাজার। যা হতে সরকারী খাতে রাজস্ব আসে।

 

·        হোটেল-আবাসনঃ  জামালগঞ্জ উপজেলায় আবাসিক কোন হোটেল এখন পর্যমত্ম গড়ে উঠেনি।

 

·        যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ  জেলা শহর সুনামগঞ্জ হতে ৩৫ কিঃমিঃ পশ্চিমে দিকে এবং বিভাগীয় শহর সিলেট হতে ১০৭ কিঃমিঃ পশ্চিমে এ উপজেলার অবস্থান। তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সদর দিরাই এবং ধর্মপাশা উপজেলার উত্তর, পূর্ব,দক্ষিণ এবং পশ্চিম কোনে এ উপজেলাটি অবস্থিত।   

·        পত্র পত্রিকা-জামালগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় কোন পত্র পত্রিকা নেই।

·        হাট-বাজারঃ অত্র উপজেলায় সর্বমোট ০৮ টি হাট বাজার রয়েছে।

 

·        জাতীয় সংসদ সদস্যঃ

০১। নাম-ইঞ্জিনিয়ার জনাব মোয়াজ্জেম হোসেন রতন

 নির্বাচনী  এলাকা-২২৪,সুনামগঞ্জ-০১।